এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো তার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

আশা করি আমার আগের আর্টিকেল থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং কি তা ভালভাবে জানতে পেরেছেন। এই আর্টিকেলে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন দেব।

 

তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

অনেকেই যেনতেনভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করেন, ফলে কাঙ্খিত সাফল্য পাওয়া তাদের জন্য দুস্কর হয়ে যায়। তবে আপনি যদি সঠিক উপায়ে এটি শুরু করতে পারেন, তবে অনেক ভাল করতে পারবেন ইনশা আল্লাহ।

 

যাই হোক, এখন আমি আপনাকে প্রতিটি স্টেপ একে একে দেখাব।

 

স্টেপ ১ঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং নিশ বাছাই করুন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে নিশ সিলেকশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। অনেকেই যেনতেনভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করে দেন কোন নিশ সিলেকশন ছাড়াই। সত্যি বলতে কি আমি নিজেও যখন প্রথম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করেছিলাম তখন নিশ কি জিনিস বা নিশ যে প্রয়োজনীয় কিছু সেটার দিকে একেবারেই খেয়াল করিনি।

 

ফলশ্রুতিতে কিছুদিনের মধ্যেই কি বিষয়ে কনটেন্ট বানাবো তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই যার ফলাফল কিছুদিন পরে ওয়েবসাইটটিতে আর কাজ না করা।

 

তো দেখলেন যে নিশ সিলেকশন না করলে আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কত সমস্যা হতে পারে!

 

তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার প্রথমে আপনাকে নিশ সিলেকশন নিয়ে ভাবতে হবে।

 

তো এখন আমরা নিশ সিলেকশন নিয়ে কিছু কথা বলব এবং এর বিস্তারিত আপনি পরবর্তী পোস্টসমূহে পাবেন।

 

নিশ আসলে কি জিনিস? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে নিশ হলো আপনি যে বিষয়ের উপর আপনার কনটেন্টসমূহ তৈরি করবেন তাকে বোঝায়। ধরেন আপনি মোবাইল ফোন নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে রিভিউ করবেন তাহলে আপনার সাইটের নিশ হলো টেকনোলজি রিলেটেড এবং তা মোবাইলের উপর। এভাবে আপনি যে কোন একটা বিষয়ের দিকে চলে যেতে পারেন যেমন আমার এই ওয়েবসাইটের নিশ হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কারন আমি আমার এই সাইটে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করছি।

 

আমি আমার এই সাইটের নিশ এফিলিয়েট মার্কেটিং হিসেবে পছন্দ করেছি কারণ আমি আফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে ইতোমধ্যে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছি এবং একই সাথে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কথা বলতে আমার ভালো লাগে। তাই এখানে দেখুন যে একটি নিশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনি দুটি জিনিস কে গুরুত্ব দিবেন। একটি হলো আপনার পছন্দ আর আরেকটি হলো আপনার সেই বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান।

 

কোন বিষয় নিয়ে যদি আপনার আলোচনা করতে ভালো না লাগে তাহলে আপনি সেই বিষয়ে তেমন ভালো কিছু করতে পারবেন না কারণ কিছুদিনের মধ্যেই আপনি বোরিং ফিল করসয়ে। আর কোন বিষয় সম্পর্কে যদি আপনার পছন্দ থেকে থাকে তাহলে সেই বিষয় সম্পর্কে আপনার বেশি বেশি পড়াশোনার মাধ্যমে খুব দ্রুত আপনার জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারবেন। আপনার পছন্দের বিষয় সম্পর্কে যদি যথেষ্ট পরিমাণ জ্ঞান থেকে থাকে তবে আপনার সেই নিশ নিয়ে কাজ করলে অনেক সহজে আপনি কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন।

 

তবে যে নিশ নিয়েই কাজ করেন না কেন সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিবেন আপনার পছন্দের ওপর।

 

স্টেপ ২ঃ নিশ সাইটের নাম ঠিক করুন

নিশ সিলেকশন হয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম ঠিক করতে হবে। এখন এ ক্ষেত্রে অনেকেই ভুল করেন এবং আমিও একই ভুল করেছিলাম। আমি যখন আমার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রথম সাইটটি তৈরী করেছিলাম তখন আমার সাইটটির এমন একটি নাম দিয়েছিলাম সেটি আসলে নিশ স্পেসিফিক ছিল না।

 

তার মানে হল ধরেন আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর ভিজিট করার সাথে সাথে সে যেন আপনার ওয়েবসাইটের নাম টি দেখেই বুঝে ফেলে যে এই ওয়েবসাইটটি এই নিশ এর ওপর তৈরি করা হয়েছে। এতে আপনার ভিজিটরের আপনার কন্টেন্ট এর ওপর কনফিডেন্স অনেক বেড়ে যায়। গুগোল ও নিশ এর ওপর বেস করে তৈরি করা সাইটকে র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে বেশি প্রাধান্য দেয়।

 

এই যেমন আমার এই সাইটটি দেখুন। আমার সাইটটির নাম হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিডি এবং আমি আমার সাইটে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে নানা বিষয় আলোচনা করি। আমার এই সাইটের যে কোন ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করার আগেই নামটি দেখে বুঝতে পারছে যে এই সাইটটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছে ফলে সে অনেক বেশি কনফিডেন্স সহকারে আমার সাইটে ভিজিট করছে।

 

এখন আমার সাইটের নাম যদি অন্য কিছু হতো যেমন আমার আরেকটি সাইট আছে এস এম এন জামান ডট কম যে সাইটটিতেও আমি কিন্তু পূর্বে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি। ওই সাইটে আপনি প্রবেশ করেই বুঝতে পারবেন না যে সেটি আসলে আফিলিয়েট মারকেটিং এর ওপর কিনা।

 

এজন্য আপনি যদি কোন নিশ সিলেক্ট করেন যেমন ধরেন আপনি আপনার সাইটে মোবাইল ফোন নিয়ে আলোচনা করবেন  তাহলে এমন একটা নাম দেওয়া উচিত যেটা দেখেই বোঝা যায় যে এই সাইটটি আসলে মোবাইল নিয়ে কথা বলে। যেমন দেখেন নামকরা ফোন রিভিউ ওয়েবসাইট ফোনএরিনা, ফোন রাডার ইত্যাদি। আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর অজস্র রিভিউ সাইট সাইট আছে যেগুলো দেখলেই বোঝা যায় যে এই সাইটটি আসলে এই নিয়ে একটি স্পেসিফিক জিনিস নিয়ে আলোচনা করছে

 

তাহলে আপনি আপনার সাইটের নামটি এমনভাবে রাখবেন যেন সেটি দেখেই আপনার নিশ সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। একটু চিন্তা করুন এবং আপনার সাইটের নিশের সাথে মিল রেখে একটি সুন্দর ও মানানসই নাম রাখুন।

 

স্টেপ ৩ঃ নিশ সাইট তৈরি করুন ও তা সাজিয়ে নিন

আপনার সাইটের নাম করন হয়ে গেলে এখন এই নামে আপনার একটি সাইট খুলতে হবে। তবে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই!

 

আমি এ কথা বলছি কারন আপনাদের অনেকেই ওয়েবসাইট খোলার ক্ষেত্রে অনেক ভয় পান এই ভেবে যে আসলেই এটা খুবই কঠিন একটি কাজ বা এই কোডিং সেই কোডিং অনেক কিছু করতে হবে বা কাকে দিয়ে খুলবো ইত্যাদি ইত্যাদি। তো আমি আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য একটি নিশ ওয়েবসাইট কিভাবে খুলতে হয় তার এ টু জেড গাইড দিয়ে দিচ্ছি ফলে আপনি আমার গাইড অনুসরণ করেই আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন।

 

তবে এখানে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে আর তা হল যে দেশীয় কোন কোম্পানির কাছ থেকে কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট খোলানো যাবে না আর এর কারণ হলো যে আপনাকে সরাসরি আমেরিকান হোস্টিং কোম্পানি থেকে আপনার ওয়েবসাইটটি খুলতে হবে।

 

সরাসরি আমেরিকান কম্পানির কাছ থেকে কেন আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কিনবেন? এর আসল কারণ হলো যে সরাসরি আমেরিকান হোস্টিং কোম্পানি থেকে যদি আপনার সাইটটি খোলেন তাহলে আপনার সাইটের পারফরম্যান্স অনেক অনেক ভালো হবে আর আপনি সর্বোচ্চ নিরাপত্তাও পাবেন।

 

তবে সরাসরি আমেরিকান হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং কেনার জন্য যদি আপনার কোন ইন্টারন্যাশনাল মাস্টারকার্ড বা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড না থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি কোন বড় ভাই বা অন্য কেউ বা আমার (অর্থাৎ যাদের ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড আছে) সাহায্য নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন, হোস্টিং কিনে নিতে পারেন।

 

কিন্তু যাই করেন না কেন আপনি যেন আপনার নিজস্ব একাউন্টে আপনার ডোমেইন হোস্টিং কেনেন সেটি খেয়াল রাখবেন। অনেকেই করে কি নিজের ডোমেইন ও হোস্টিং অন্য কারো অ্যাকাউন্ট থেকে কেনে ফলে আপনার নিরাপত্তাতো বিঘ্নিত হয়ই সাথে সাথে আপনার পূরনাঙ্গ কন্ট্রোলিং ও থাকে না।

 

আপনার ওয়েবসাইট খোলা হয়ে গেলে তা সুন্দরভাবে সাজিয়ে নিতে হবে কারণ একটি সুন্দর ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে সবারই ভাল লাগবে। এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার আবার ওয়েব ডিজাইন জানতে হবে এমন না।

 

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্লাগিন এর মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে একটি সাইট সাজানো যায়। এ কাজটি কিভাবে করতে হয় তা আমি আপনাকে দেখিয়ে দেবো। তাই আপনার টেনশনের কোন কারণ নেই। আর একই সাথে আপনার সাইটে যদি একটি সুন্দর থিম ব্যবহার করেন তবে তার লুক হবে দারুন। এর সাথে আপনার সাইটের পারফরম্যান্স এবং এসইও কিছু সেটআপ আছে যেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর তা আমি দেখিয়ে দেব।

 

তো আমার দেখানো পথ অনুসরণ করে আপনার সাইট টি খুলুন ও তা সুন্দরভাবে সাজিয়ে নিন।

 

স্টেপ ৪ঃ এস ই ও কন্টেন্ট তৈরি করুন

আপনার সাইটটি রেডি হয়ে গেছে তাই তো? এখন আপনার কাজ হল আপনার সাইটের জন্য কনটেন্ট তৈরি করা। তো কন্টেন্ট জিনিসটি কি? কন্টেন্ট হল আপনি ওয়েব সাইটে যা পাবলিশ করেন তাই। এফিলিয়েট ওয়েবসাইটে মূলত আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্ট এই টাইপের কনটেন্ট পাবলিশ করা হয়, এছাড়াও আপনি ভিডিও বা অডিও ও বা অন্যান্য কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন তবে মূল কন্টেন্ট হলো আর্টিকেল বা ব্লগ পোষ্ট।

 

তো আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ভালো ভালো কন্টেন্ট লিখতে হবে। আপনি যদি ইংলিশে কিছুটা দক্ষ হন তবে আপনার ওয়েবসাইটে আপনি নিজেই কন্টেন্ট লিখতে পারবেন। আর যদি আপনি ইংলিশে খুব কাঁচা থাকেন তবে ইংলিশে ভাল কাউকে দিয়ে বা কোন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম থেকে কন্টেন্ট রাইটার ভাড়া করে আপনার সাইটের কন্টেন্ট লেখাতে পারেন।

 

নিয়মিতভাবে আপনার ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন কিওয়ারড এর উপর এসইও কন্টেন্ট পাব্লিশ করতে হবে। এখন এসইও জিনিসটি কি হয়তো আপনি তা প্রশ্ন করতে পারেন!

 

এসইয় হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যেটি নিয়ে আমি আরেকটি আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব। সেখান থেকে আপনি বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেবেন ও এসইও কিভাবে করতে হয় তাও আমি দেখাবো তাই এ নিয়েও টেনশন করার কোন কারণ নেই। নিয়মিত আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে ভালো ভালো এস ই ও কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে ও তা প্রমোট করতে হবে।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ ভালো করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা। অনেকেই আফিলিয়েট মার্কেটিং এ ফেইল করে কারণ হলো যে তারা কিছুদিন কনটেন্ট তৈরি করে তার পরে আর করে না। এটি করা যাবে না।

 

যেহেতু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর রিটার্ন অনেক অনেক বেশি তাই আপনাকে খুব গুরুত্ব সহকারে কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।

 

অনেকেই কন্টেন্ট তৈরি করা বন্ধ করে দেন এই কারণে যে তারা কোন রেজাল্ট পান না। একটু চিন্তা করে দেখেন যে আপনি ভালো কিছু পেতে গেলে আপনাকে কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কষ্ট করে যেতেই হবে। তারপরে রিটার্ন পাবেন।

 

তাই আপনি যদি এক-দুই মাস কাজ করে হাল ছেড়ে দেন তাহলে কিন্তু আপনি আলটিমেটলি হেরে যাবেন। এজন্য আপনাকে নিয়মিত এটলিস্ট তিন মাস ভালো কন্টেন্ট তৈরি করে যেতে হবে। ধৈর্যচ্যুতি ঘটানো যাবে না এবং আপনার যে নিয়মানুবর্তিতা তা নষ্ট করা যাবে না। একটি সুন্দর রুটিন করে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী প্রতিদিন কিছু না কিছু কনটেন্ট লিখুন ও পাবলিশ করতে থাকুন।

 

আপনি নিশ রিলেটেড বিভিন্ন কিওয়ারড এর উপর যত বেশি এসইও কনটেন্ট পাবলিশ করতে থাকবেন তত বেশি আপনার কিওয়ার্ড সমূহ র‍্যাঙ্ক করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আর যত বেশি কিওয়ার্ড রাঙ্ক করবে তত বেশি ওয়েব ট্রাফিক বা ওয়েব ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। আর যত বেশি ওয়েব ভিজিটর আপনার সাইটে আসবে তত বেশি আফিলিয়েট সেল হওয়ার সম্ভাবনা। তাই নিয়মিত ওয়েবসাইটে ভালো ভালো কন্টেন্ট পাব্লিশ করতে থাকুন।

 

স্টেপ ৫ঃ বিভিন্ন উপায়ে আপনার সাইটে ট্রাফিক বা ওয়েব ভিজিটর নিয়ে আসুন

নিয়মিত ওয়েবসাইটে মানসম্মত কনটেন্ট পাবলিশ করার সাথে সাথে বিভিন্ন উপায়ে আপনাকে আপনার সাইটে ওয়েব ভিজিটর নিয়ে আসার টেকনিকগুলো শিখতে হবে। আমি একে একে সব ধরনের টেকনিক দেখাতে থাকবো আর আপনি আমার দেখানো পথ অনুসরণ করলে আপনার সাইটে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন। তবে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসার উপায় গুলো কিন্তু ধৈর্য সহকারে নিয়মিত ভাবে এপ্লাই করতে হবে।

 

একটি সাইটে মূলত চারটি সোর্স থেকে ভিজিটর আসতে পারে। এগুলো হলো সার্চ ইঞ্জিন থেকে, সোশ্যাল মিডিয়া থেক্‌ অন্যান্য সাইট থেকে এবং সরাসরি ভিজিট করে।

 

এই প্রত্যেকটি সোর্স থেকে নানা উপায়ে ট্রাফিক নিয়ে আসার টেকনিক আছে এবং আপনাকে তা ভাল্ভাবে রপ্ত করতে হবে।

 

আমি আগেই বলেছি যে আপনার সাইটে যত বেশি ট্রাফিক আসবে তত বেশি অ্যাফিলিয়েট সেল হওয়ার সম্ভাবনা তাই নিয়মিতভাবে বেশি বেশি ট্রাফিক আপনার সাইটে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

আপনার সাইটে আগত ভিজিটরদের বিভিন্ন উপায়ে কনভার্ট করুন যা আমি এই আর্টিকেলে (অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়) দেখিয়েছি। আপনি গাইডটি অনুসরণ করে তা খুব সহজ ভাবে শিখতে পারবেন।

 

তো আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তী আর্টিকেলে আবার আপনাদের সাথে দেখা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকবেন।

 

খোদা হাফেজ

1 thought on “এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো তার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড”

  1. ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি শেয়ার করার জন্য । আপনার এই পোস্ট টি থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে অনেক কিছু জানতে এবং বুঝতে পারলাম

    Reply

Leave a Comment